সুনামগঞ্জ , বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬ , ৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নিখোঁজের পর ধানক্ষেতে মিলল ৭ বছরের শিশুর লাশ, দোয়ারাবাজারে তোলপাড় ‎জামালগঞ্জে টানা বৃষ্টিতে হাওরে জলাবদ্ধতা, ব্যাপক ফসলহানি হাওর বাঁচাও আন্দোলনের নেতা আজাদ মিয়া হত্যার দ্রুত ন্যায়বিচার চাই পণাতীর্থে লাখ লাখ পুণ্যার্থীর ঢল শাল্লায় ‘সমন্বয়কের পিআইসি’ : ফসলহানির ঝুঁকির সঙ্গে মানুষের দুর্ভোগ সময় পেরিয়ে গেলেও শেষ হয়নি বাঁধের কাজ, শঙ্কায় কৃষক জনগণের উন্নয়নই বিএনপির মূল লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতকই থাকছে নদী ও খাল দখলকারীরা সাবধান হয়ে যান : কৃষিমন্ত্রী সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের দায়িত্ব নিলেন মিজানুর রহমান চৌধুরী পণতীর্থে মহাবারুণী স্নান আজ দখল হওয়া খালগুলো উদ্ধার করা হবে সড়কের উন্নয়নকাজে অনিয়মের অভিযোগ ‎মাসব্যাপী কিরাআত প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হাওরের বাঁধ: ‘আমরা আরম্ভ করি শেষ করি না...’ এখন থেকে কোনো ধরনের ঘুষ-দুর্নীতি সহ্য করা হবে না : বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী মিজান চৌধুরী সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক শিলা বৃষ্টিতে বোরো ফসল আক্রান্ত, আগাম বন্যার শঙ্কায় কৃষক অপরিকল্পিত ফসল রক্ষা বাঁধে জলাবদ্ধতা, কৃষকের স্বপ্নভঙ্গের শঙ্কা মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে প্রবাসী শ্রমিকদের জীবন

বজ্রপাতের আতঙ্কে সুনামগঞ্জ : সচেতনতা ও প্রস্তুতির প্রয়োজন

  • আপলোড সময় : ০৯-০৫-২০২৫ ০১:১১:১৮ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৯-০৫-২০২৫ ০১:১১:১৮ পূর্বাহ্ন
বজ্রপাতের আতঙ্কে সুনামগঞ্জ : সচেতনতা ও প্রস্তুতির প্রয়োজন
সাম্প্রতিক সময়ে সুনামগঞ্জে বজ্রপাতের প্রকোপ উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে গেছে। প্রতিবার বর্ষার মৌসুম এলেই এই অঞ্চলের মানুষ শঙ্কায় দিন কাটায় - বজ্রপাত কবে কোথায় ঘটবে, কে এর শিকার হবেন, তার কোনো পূর্বাভাস নেই। কিছুদিন আগে বজ্রপাতে প্রাণহানি ও আহতের খবর আমাদের আবারও সতর্ক করে দিয়েছে যে, প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে টেকসইভাবে মোকাবিলা করার জন্য শুধুমাত্র করুণা বা কাকতালীয় রক্ষা যথেষ্ট নয়; দরকার পরিকল্পিত প্রস্তুতি ও সচেতনতা। সুনামগঞ্জ একটি হাওর অধ্যুষিত এলাকা। খোলা আকাশ, সমতল ভূমি ও বিস্তীর্ণ জলরাশির কারণে এখানে বজ্রপাতের ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি। কৃষকেরা যখন হাওরে ধান কাটতে যান, তখন তারা খোলা পরিবেশে অবস্থান করেন - যা বজ্রপাতের সময় মারাত্মক বিপদ ডেকে আনতে পারে। প্রায়ই দেখা যায়, একটি বজ্রপাতেই একইসঙ্গে একাধিক প্রাণহানি ঘটে। এই বাস্তবতায় আমাদের এখনই উদ্যোগ নিতে হবে। প্রথমত, বজ্রপাত সম্পর্কিত গণসচেতনতা বাড়াতে হবে- বিদ্যালয়, মসজিদ, মন্দির, হাটবাজারে প্রচার চালাতে হবে কীভাবে বজ্রপাতের সময় নিরাপদে থাকা যায়। দ্বিতীয়ত, স্থানীয় প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগকে প্রযুক্তির সহায়তায় পূর্বাভাস প্রচার জোরদার করতে হবে। মোবাইল এসএমএস, মসজিদের মাইক ব্যবহারের মাধ্যমে সতর্কতার জানান দিতে হবে। তৃতীয়ত, বজ্রনিরোধক টাওয়ার ও আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ জরুরি হয়ে পড়েছে, বিশেষ করে হাওরের মাঝে ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর আশেপাশে। আমরা জানি, বজ্রপাত একটি প্রাকৃতিক ঘটনা - তবে এর ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনা আমাদের হাতে। তাই সরকার, স্থানীয় প্রশাসন ও জনগণের সমন্বিত প্রচেষ্টায় সুনামগঞ্জকে বজ্রপাতজনিত মৃত্যুর ঝুঁকি থেকে অনেকাংশেই রক্ষা করা সম্ভব। এই প্রয়াস যেন থেমে না যায়।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ